
নিবন্ধমালা: ত্রয়োবিংশ খন্ড, ডিসেম্বর ২০২২
উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ
ISSN:
বঙ্কিমচন্দ্র ও হরপ্রসাদ : গুরুশিষ্য সমাচার
চন্দনা রাণী বিশ্বাস*
Authors Email:
Published Date : ডিসেম্বর ২০২২
নিবন্ধমালা: ত্রয়োবিংশ খন্ড, ডিসেম্বর ২০২২
DOI:
Page No : 153-170
সারসংক্ষেপ
ঊনবিংশ শতাব্দীর অশেষ কীর্তিমান এক বাঙালিবঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮-১৮৯৪)। আধুনিক বাংলাউপন্যাসের নির্মাতা তিনি। কেবল সাহিত্যই নয়, তাঁর স্বদেশভাবনা,জাতীয়তাবোধ এবং স্বদেশের প্রতি কর্তব্যবোধ প্রভৃতি কারণে তিনিবাঙালির চিরস্মরণীয়। বাংলার আর এক কৃতী সন্তান মহামহোপাধ্যায়হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৮৫৩-১৯৩১)। তাঁর বংশীয় পদবি ভট্টাচার্য।সংস্কৃত ভাষা-সাহিত্যে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য তিনি শাস্ত্রী উপাধিপ্রাপ্ত হন। এর পর থেকে তাঁর নামের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত হয়‘শাস্ত্রী’ । হরপ্রসাদ ছিলেন প্রথিতযশা সংস্কৃত-পÐিত, বাংলা ভাষাও সাহিত্যের একনিষ্ঠ সাধক, প্রাচীন পাÐুলিপি চর্চার পথিকৃৎ এবংবিশিষ্ট ভারততত্ত¡বিদ। বঙ্কিমচন্দ্র ও হরপ্রসাদÑ এই দুই মনীষীরমধ্যে সম্পর্ক ছিল গুরু-শিষ্যের। হরপ্রসাদ বঙ্কিমচন্দ্রকে দেখেছেনখুব আপন পরিবেশে, পারিবারিক পরিমÐলে, সাহিত্যসভায়,বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডারত ইত্যাদি নানা অবস্থায়। হরপ্রসাদ বঙ্কিমের¯েœহধন্য ছিলেন এবং তিনি তাঁকে গুরুর আসনে বসিয়েছিলেন।এ কথা তিনি তাঁর লেখা ও কথায় স্বীকার করেছেন। বঙ্কিমমচন্দ্রসম্পর্কে হরপ্রসাদের চারটি স্মৃতিকথা প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়।হরপ্রসাদের এ স্মৃতিকথার মধ্য দিয়ে তাঁর জীবনে বঙ্কিমচন্দ্রেরআশীর্বাদ ও প্রেরণা, তাঁদের গুরু-শিষ্য সম্পর্কের নানা দিক এবংগুরুর প্রতি শিষ্যের গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে। লেখক জীবনেরপ্রথম দিকে বঙ্কিমপ্রভাব যুক্ত হরপ্রসাদ পরবর্তীকালে বঙ্কিমপ্রভাবমুক্ত হয়েছেন। হরপ্রসাদ বঙ্কিমচন্দ্রকে তাঁর গুরু এবং অভিভাবক