
নিবন্ধমালা: ত্রয়োবিংশ খন্ড, ডিসেম্বর ২০২২
উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ
ISSN:
মহাস্থানগড় প্রত্নতান্ত্রিক জাদুঘরের হিন্দু দেবদেবী প্রসঙ্গ
কালিদাস ভক্ত *
Authors Email:
Published Date : ডিসেম্বর ২০২২
নিবন্ধমালা: ত্রয়োবিংশ খন্ড, ডিসেম্বর ২০২২
DOI:
Page No : 25-60
সারসংক্ষেপ
বাংলাদেশের প্রত্নতান্ত্রিক স্থানগুলোর মধ্যে মহাস্থানগড় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহাস্থানগড়ের পূর্ব নাম পুÐ্রনগড়। বর্তমানে স্থানটি বগুড়া জেলার অন্তর্ভুক্ত। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী থেকে খ্রিষ্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত বাংলার সমৃদ্ধিশালী নগরী হিসেবে এর খ্যাতি ছিল। প্রাচীনকালে মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। ধারাবাহিকভাবে এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও সেন আমলের নৃপতিরা প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও বিশ্বব্যাপী এই স্থানটির উল্লেখ পাওয়া যায়। পৃথিবীর বিখ্যাত পর্যটকেরা এ অঞ্চল ভ্রমণ করেছেন এবং এ নগরী সম্পর্কে নানা মন্তব্য করেছেন। এখনও মহাস্থানগড়ের চারপাশে প্রত্নতান্ত্রিক অনেক স্থাপনা রয়েছে। এথেকে বোঝা যায় সমগ্র অঞ্চল শহরকেন্দ্রিক ছিল। প্রত্নতান্ত্রিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ বৃহত্তর বগুড়া অঞ্চলে অনেক মূল্যবান নিদর্শন পাওয়া গেছে। তাছাড়া ব্যক্তি পর্যায়ে, মন্দিরে মন্দিরে ও ঘরে ঘরে নানাধরনের প্রত্নসম্পদ পাওয়া গেছে, সেগুলো সংগ্রহ করে মহাস্থানগড় জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই প্রত্নসম্পদের মধ্যে অনেক ভাস্কর্য রয়েছে। এর মধ্যে হিন্দু দেবদেবীর ভাস্কর্য অত্যন্ত নান্দনিক ও উল্লেখযোগ্য। কিন্তু জাদুঘরে সংরক্ষিত হিন্দু দেবদেবীর ভাস্কর্য সম্পর্কে আলাদাভাবে শ্রেণিবিন্যাস ও ক্যাপশনে বিস্তারিত বর্ণনা নেই। এই দেবদেবীর ভূমিকা এবং এর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যয়ন। আলোচ্য প্রবন্ধে মহাস্থানগড় জাদুঘরে সংরক্ষিত হিন্দু দেবদেবীর গুরুত্ব এবং ভাস্কর্য সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। হিন্দু দেবদেবীর ধর্মীয় গুরুত্ব ছাড়াও এর শিল্প-নৈপুণ্য ও ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কিত নানা বিষয়ও বর্তমান আলোচনায় স্থান পেয়েছে।