Message from the Director

/
Message

Message from the Director

Welcome

১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই উচ্চতর মানববিদ্যা গবেষণা কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে। শুরুতে এর যে আদর্শ ও উদ্দেশ্য ছিল, এই ত্রিশ বছরে কেন্দ্রটি তা থেকে বিচ্যুত হয়নি, বরং আরো কিছু নতুন লক্ষ্য নির্দিষ্ট করে কেন্দ্রটি এগিয়ে যাচ্ছে। কলা, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞানসহ অন্যান্য অনুষদের তরুণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার বিভিন্ন বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদান এর একটি। এর ফলে গবেষণার ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে সার্বিক জ্ঞানচর্চায়। কেন্দ্রের প্রকাশনাগুলোও সমাদৃত হচ্ছে, এবং প্রতিমাসে এক বা একাধিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়, তাতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাই একথাটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, যেসব শিক্ষাগুরু ত্রিশ বছর আগে এই কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে উদ্যোগী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাদের প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হয়েছে।

প্রতিষ্ঠার ত্রিশতম বার্ষিকীতে তাই উচ্চতর মানববিদ্যা কেন্দ্র-এর সকল সভাপতি ও পরিচালককে সম্মাননা জানানোর একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কলা অনুষদের স্বনামধন্য ও মেধাবী অনেক শিক্ষক কেন্দ্রের সভাপতির ও পরিচালকের আসন অলংকৃত করেছেন। তাঁদের পরিচয় এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়িয়ে দেশের সর্বত্র পরিব্যাপ্ত। তাঁরা শুধু স্ব স্ব ক্ষেত্রে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি এবং গবেষণার ক্ষেত্রেই যশস্বী নন, দেশের নানা সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনে ও ক্রান্তিকালে তাঁরা অত্যন্ত বলিষ্ঠ এবং গঠনমূলক অবদান রেখেছেন। শিক্ষার্থীদের কাছে তাঁরা যেমন অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব, দেশের মানুষের কাছেও তেমনি। তাঁদের অনেকেই গত হয়েছেন; যারা এখনও আমাদের মাঝে রয়েছেন, তাঁদের প্রায় সকলেই অবসরে গেছেন। কিন্তু কেন্দ্রের জীবনের সঙ্গে তাঁদের বন্ধন চিরদিনের। এজন্য এই প্রাজ্ঞ সভাপতি ও পরিচালকদের সম্মাননা জানাতে পেরে কেন্দ্রের সঙ্গে প্রত্যেকেই গর্বিত। এবং কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত শুধু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের অনেক জ্ঞানকেন্দ্রের গবেষক ও প্রতিনিধিরাও রয়েছেন।

উচ্চতর মানববিদ্যা কেন্দ্রের ত্রিশতম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে এই কেন্দ্রের সকল শুভানুধ্যায়ী, পৃষ্ঠপোষক এবং স্বজনদের জানাই শুভেচ্ছা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সবসময় আমাদের সর্বতো সহায়তা ও সাহায্য দিয়ে এসেছেন। এজন্য প্রশাসনকেও আমাদের আন্তরিক ধন্যবাদ।

অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম